বাংলাদেশের নারী ফুটবলের তারকা সাবিনা খাতুনের হাত ঘুরে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড উঠেছিল বাহুতে, ১৮ বছর বয়সে যে ভার বয়ে নেওয়া সহজ ছিল না মোটেও। তবে পিছপা না হয়ে, তরুণ কাঁধে গুরুদায়িত্ব তুলে নেন আফঈদা খন্দকার প্রান্তি। তার হাত ধরেই প্রথমবারের মতো উইমেন’স এশিয়ান কাপের মূল মঞ্চে বাংলাদেশ। অবিশ্বাস্য এই সাফলের উচ্ছ্বাস তাই আফঈদার একটু বেশিই।
মিয়ানমারের ইয়াংগুনে শনিবার তুর্কমেনিস্তানকে ৭-০ গোলে হারিয়ে উইমেন’স এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের পথচলা শেষ করে বাংলাদেশ। এর আগেই বাহরাইনকে ৭-০তে এবং মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে দল নিশ্চিত করে এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে খেলার যোগ্যতা।তিন ম্যাচের সবগুলো জয়ের পথে মেয়েরা ১৬ গোল দিয়ে হজম করেছে মাত্র ১টি। ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দাদের মতো অজ্ঞিদের সাথে শাহেদা আক্তার রিপা, কোহাতি কিসকুদের মতো নবীনদের দারুণ বোঝাপড়ার দেখাও মিলেছে। বাছাই জুড়ে দলের এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে যারপরনাই মুগ্ধ আফঈদা।“বলে বোঝানোর মতো না, এত আনন্দ। যে লক্ষ্য নিয়ে এসেছিলাম, সেটা পূরণ করতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া। এটাই আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়। যেটা আমরা সবসময় বলতাম, আমরা যেন সাফের গন্ডি পেরিয়ে এশিয়াতে যেতে পারি…আল্লাহ আমার কথা রেখেছেন। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি সবসময়।”
আগমী মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় হবে এশিয়ান কাপের মূল পর্বের খেলা। তবে এখনই ওই আসর নিয়ে ভাবছেন না আফঈদা। আগামী শুক্রবার থেকে ঘরের মাঠ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় শুরু হবে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ। অধিনায়কের এ মুহূর্তের ভাবনায় প্রাধান্য পাচ্ছে বয়সভিত্তিক এই আসর।
“পরের লক্ষ্য হচ্ছে, দেশে ফেরার পর সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ রয়েছে। এখন ওটা নিয়েই চিন্তা করছি।”





