স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ মার্চ ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দেশটির নৌ উৎপাদন ব্যবস্থার বড় অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনীর বড় জাহাজগুলোর প্রায় ৯২ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
তার ভাষায়, “এখন তারা কার্যকরভাবে আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক পর্যায়ে নৌ শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতা হারিয়েছে।”
যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে
কুপার জানান, ইসরাইল-কে সঙ্গে নিয়ে শুরু হওয়া অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পনার চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ উৎপাদন স্থাপনার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আমরা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করেছি। অভিযান এখনও চলছে।”
পাল্টা হামলা ও উত্তেজনা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই উপসাগরীয় বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। তবে কুপারের দাবি, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হার প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে এবং তাদের পুনর্গঠনের সক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পড়েছে।
আলোচনায় অনীহা তেহরানের
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই। লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে তেহরান।
এর আগে হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছিল, আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে যোগাযোগ চলছে।





