কাশ্মীরে উত্তেজনার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত, পাল্টা হামলায় রক্তাক্ত পাঞ্জাব’২৬/২৭জন হতাহত,আহত ৪৭ বেসামরিক নাগরিক।

কাশ্মীরে উত্তেজনার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত, পাল্টা হামলায় রক্তাক্ত পাঞ্জাব কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।…

Posted by:

on

কাশ্মীরে উত্তেজনার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত, পাল্টা হামলায় রক্তাক্ত পাঞ্জাব

কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই ৬ মে রাতে ভারতের বিমান বাহিনী পাকিস্তানের পাঁচ থেকে ছয়টি এলাকায় বিমান হামলা চালায়। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এই হামলাগুলো ভারতের আকাশসীমা থেকেই পরিচালিত হয় এবং হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, কাশ্মীর নয়।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় বিমানগুলো ৪০০০ ফুট উচ্চতায় উঠে ভূমিতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারতীয় বিমানের নেভিগেশন সিস্টেম অকার্যকর করে দেয়, ফলে বিমানগুলো অন্ধ হয়ে পড়ে।

এই সুযোগে পাকিস্তানি জেএফ-১৭ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাল্টা আক্রমণ চালায়। পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা ভারতের তিনটি রাফাল, একটি সু-৩০, একটি মিগ-২৯ এবং একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

পাকিস্তানি সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় হামলায় দেশটির কয়েকটি শহরে মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এ হামলায় ২৬-২৭ জন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছে,আহত ৪৭পাক নাগরিক, রাত ১.৪৪মিনিটে চালানো হয় হামলা

যাদের মধ্যে নারী, শিশু ও সাধারণ নাগরিক রয়েছেন।

ভারতের পক্ষে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, পাল্টা হামলায় তারা ভারতের সেনা ছাউনি, চেকপোস্ট ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে।

ভারতের গণমাধ্যম দাবি করছে, হামলায় পাঁচ জনের বেশি ভারতীয় হতাহত হয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সেনাবাহিনীকে পাল্টা হামলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিকভাবে অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছে বিভিন্ন রাষ্ট্র। ভারতকে সমর্থন জানিয়েছে ইসরাইল, অন্যদিকে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক ও চীন। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, দেশটি যেকোনো সময় আরো বড় প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।