স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা | নিউজ চ্যানেল বিডি
এনটিআরসি’র প্রথম থেকে দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হলেও দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগবঞ্চিত থাকা শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য দাবির কথা তুলে ধরতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকরা জানান, তারা ২০২২ সাল থেকে পতিত সরকারের আমলসহ দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন করে আসছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত চাকরির কোনো নিশ্চয়তা পাননি। এমন পরিস্থিতিতে শেষ ভরসা হিসেবে তারা বিএনপি চেয়ারম্যানের শরণাপন্ন হন।

শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানান, ৯ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে তারা আন্দোলন চালান। এ সময় এনটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনায় বয়সসীমা ৩৫ বছর ধরে প্রজ্ঞাপন জারির আশ্বাস মিললেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। পরবর্তীতে তারা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত আবেদন ও নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের তালিকা হস্তান্তর করেন।
এরপর হঠাৎ করেই তারেক রহমান শিক্ষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এক শিক্ষক প্রতিনিধি জানান, “স্যার আমাদের কাছে এসে জানতে চান আমরা কেন এসেছি এবং আমাদের দাবি কী। আমরা স্পষ্ট করে বলি—আমরা চাকরির নিশ্চয়তা চাই। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করেও আমরা বঞ্চিত।”
তারেক রহমান শিক্ষকদের কথা শোনার পর বলেন, বিএনপি যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তবে নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের বিষয়টি সর্বমহলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকরা বলেন, “আমরা হয়তো চাকরি নাও পেতে পারি, কিন্তু একজন জাতীয় নেতার কাছ থেকে এমন মানবিক আশ্বাস পাওয়াই আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি।”
এ সময় শিক্ষকরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তারা তারেক রহমানকে জনবান্ধব ও সাধারণ মানুষের নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হলে তাদের দীর্ঘদিনের এই ন্যায্য দাবি বাস্তবায়িত হবে।





