স্টাফ রিপোর্টার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,নিউজ চ্যানেল বিডি
হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, আওয়ামী লীগ সরকার গত তিনটি নির্বাচনে পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে দিনের ভোট রাতে করেছে।
মরা মানুষকে নিয়ে ভোট দেওয়ানো হয়েছে, এবং নির্বাচনের আগে আলাদা বরাদ্দ ও টাকা রাখা হয়েছে এসপি, ওসি, এসআই ও কনস্টেবলদের জন্য।
তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর ধরে আমরা এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। এবার পুলিশ ও প্রশাসনের ভাইয়েরা মানুষের আস্থায় ফিরে আসার সুযোগ পাবেন।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ উল্লেখ করেন, “গত তিনটি নির্বাচনে আপনাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে আপনি জনবিচ্ছিন্ন হয়েছেন। তবে এই প্রজন্মের ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ আপনার প্রতি প্রত্যাশা রাখে। তারা দেখতে চায় পুলিশ ও প্রশাসন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করবে।”
তিনি স্পষ্ট করেন, “পুলিশ ও প্রশাসন কোনো রাজনৈতিক দলের হবে না। তারা জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি পরীক্ষা, আপনারা সেই পরীক্ষায় নিরপেক্ষভাবে দাঁড়ান।”
সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “গতবার নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর ভ্যানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সময় মানুষ ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দিয়েছিল। কিন্তু দেশের প্রতি সৈনিক ও কর্মকর্তা-সম্ভারদের আন্তরিকতা, দায়বদ্ধতা ও মমতাবোধ সবসময় আমাকে বেশি রেসপেক্টফুল করেছে।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ আশা প্রকাশ করেন, “সেনাবাহিনীও জনতার পক্ষে থাকবেন এবং এই নির্বাচনে যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন। প্রশাসন, পুলিশ, মিডিয়া এবং সেনাবাহিনী—আপনাদেরও পরীক্ষা এই ১২ ফেব্রুয়ারি। গণবিরোধী অবস্থান না নিয়ে জনগণের, দেশের পক্ষে দাঁড়ান।”
তিনি আরও বলেন, “এই নির্বাচন শুধু ভোটারদের পরীক্ষা নয়, প্রশাসন, পুলিশ, মিডিয়া ও সেনাবাহিনীরও পরীক্ষা। কতটা মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন, সেটিই যাচাই হবে।”
উল্লেখ্য: এই বক্তব্যটি লাইভে দেওয়া হয়েছে হাসনাত আব্দুল্লাহ,





