সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত উদ্যোগ
স্টাফ রিপোর্টার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দুটি বার্তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান। প্রথমত, নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, যেকোনো প্রয়োজনে দায়িত্ব ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত থাকবে। দ্বিতীয়ত, সাধারণ জনগণের মধ্যে নির্বাচনের প্রতি আস্থা তৈরি করা এবং এই বার্তা দেওয়া যে সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
মতবিনিময়ে আরও জানানো হয়, নির্বাচনের দিন ও পরবর্তী সময়ে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সরঞ্জাম পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন বাহিনীর হেলিকপ্টার দেশব্যাপী আগেভাগেই মোতায়েন করা হবে।
এবারের নির্বাচনে আগের তুলনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে বলে জানানো হয়। নিরাপত্তা অ্যাপ, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরা, ড্রোনসহ অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যাতে যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় সেলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে। সেনা সদরে এ জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।
মতবিনিময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও অপতথ্য প্রচারকে এবারের নির্বাচনের অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এসব অপপ্রচারের উদ্দেশ্য হতে পারে প্রার্থী বা দলকে হেয় করা, ভোটার উপস্থিতি নিরুৎসাহিত করা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করা কিংবা ছোট ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে ভীতি ছড়ানো। এ ধরনের অপপ্রচার রোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে এবং সময়মতো বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে -কেও জানানো হয়েছে এবং কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানানো হয়।
পরিশেষে জানানো হয়, সেনাবাহিনী প্রধানের দিকনির্দেশনায় নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বক্ষণিকভাবে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।





