বাগেরহাটে চারটি আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

চার সংসদীয় আসনে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় প্রার্থীদের জামানত হারানো

স্টাফ রিপোর্টার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।

বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় নির্বাচন আইন অনুযায়ী তাদের জামানত ফেরতযোগ্য হয়নি।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট, ফকিরহাট) আসনে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫২২ জন। এই আসনে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৯ হাজার ৯৪২ ভোট। জামানত হারানো ছয় প্রার্থী হলেন জাতীয় পার্টির স.ম. গোলাম সরোয়ার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) এর আ. সবুর শেখ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এম. ডি শামসুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) পার্টির মো. আমিনুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শেখ মাসুদ রানা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এম.এ.এইচ সেলিম।

বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট-কচুয়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ২৪৫। জামানত রক্ষায় ২৮ হাজার ৯৪৯ ভোট প্রয়োজন ছিল। নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ আতিয়ার রহমান জামানত হারিয়েছেন।

বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৯টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৩ হাজার ২৯৪ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. এইচ সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এর মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ জিল্লুর রহমান জামানত হারাচ্ছেন।

বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৮৫টি। জামানত রক্ষায় ন্যূনতম ২৬ হাজার ৯৫০ ভোট প্রয়োজন ছিল। এ আসনে জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওমর ফারুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আ. লতিফ খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি আসনে বড় দলগুলোর প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ায় অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট পাননি। ফলে আইন অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।