স্টাফ রিপোর্টার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ২৭ নভেম্বর থেকে তিনি সিসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণে সক্ষম হচ্ছেন এবং বিশেষজ্ঞদের চিকিৎসা পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু মেনে চলছেন।
তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন দেশের শীর্ষ বিশেষজ্ঞরা—প্রফেসর ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, প্রফেসর ডা. এফএম সিদ্দিকী, প্রফেসর ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা. এ কিউএম মহসিন, প্রফেসর ডা. শামসুল আরেফিন, প্রফেসর ডা. জিয়াউল হক, প্রফেসর ডা. মাসুম কামাল, প্রফেসর ডা. এজ এডএম সালেহ, ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. সাইফুল ইসলাম ও ডা. জাফর ইকবাল।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য দেশের চিকিৎসকরাও অনলাইনে যুক্ত আছেন—প্রফেসর ডা. হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ডা. রফিকউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর জন হ্যামিল্টন, প্রফেসর ডা. হামিদ রব, প্রফেসর জন পেট্রিক কেডি, প্রফেসর জেনিফার ক্রস এবং ডা. জুবায়দা রহমান।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিকভাবে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার তদারকি করছেন। দেশের ভেতর ও বাইরের চিকিৎসকদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানোয় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এজন্য দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “উনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্রিফ করার দায়িত্ব আমাকে ও রুহুল কবির রিজভীকে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কারও বক্তব্যে কান দেবেন না।”
দেশের বাইরে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত। বোর্ড যদি ট্রান্সফারের মত উপযোগী মনে করে, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রস্তুতি আগেই নেওয়া আছে।
শেষে তিনি দেশবাসীর কাছে বিএনপি চেয়ারপারসনের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।





