সমুদ্রপথে সংঘাতের আশঙ্কা, শ্রীলঙ্কার জলসীমায় ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ১৮০
স্টাফ রিপোর্টার, ৪ মার্চ ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ।
তিনি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে।
হরমুজ প্রণালি মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোর একটি। পারস্য উপসাগর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে বিপুল পরিমাণ তেল রপ্তানি হয়, তার বড় অংশই এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই এই এলাকায় সংঘাত বা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা এবং বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।
তবে সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, পরিস্থিতি সহজ নাও হতে পারে। তাদের মতে, স্থলভাগের সংঘাত ধীরে ধীরে সাগরেও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এদিকে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে একটি নৌদুর্ঘটনা। –এর একটি যুদ্ধজাহাজ র জলসীমায় ডুবে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজটির ওপর সাবমেরিন থেকে হামলা হয়ে থাকতে পারে, যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, জাহাজডুবির ঘটনায় প্রায় ১৮০ জন নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে ৪০ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি সমুদ্রপথে আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।





