মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতায় এক মাসব্যাপী অভিযান শুরু: সালাম

নগরজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ, ১০টি তদারকি দল গঠন

Posted by:

on

স্টাফ রিপোর্টার, ১ মার্চ ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।

–এর প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেছেন, নগরের পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

রবিবার (১ মার্চ) রাজধানীর সুখনগর ব্রিজ, মান্ডায় মশক নিধন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আবদুস সালাম জানান, কোনো এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বা মশক নিধন কার্যক্রম না হলে স্থানীয়ভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে। কোথাও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকলে বা মশা নিয়ন্ত্রণে কর্মীরা না গেলে দ্রুত জানাতে অনুরোধ করেন তিনি।

বর্তমানে ওই এলাকায় নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকায় স্থানীয়ভাবে দায়িত্ব বণ্টনের কথা জানান প্রশাসক। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন বা দুজন প্রতিনিধি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যার বিষয়ে অবহিত করবেন।

সিটি করপোরেশনের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সব রাস্তা একসঙ্গে সংস্কার করা সম্ভব নয়। বর্জ্য অপসারণে ব্যবহৃত অনেক গাড়ি টায়ারের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে সচল রাখা যাচ্ছে না, ফলে অনেক এলাকায় সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।

এলাকার উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ আনার বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য –এর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ নিয়ে বরাদ্দ আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, সিটি করপোরেশন এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।

পরিচ্ছন্নতা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান প্রশাসক। তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন কার্যক্রম সফল হবে না।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, স্ট্রিট লাইট সচল রাখা এবং মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। কোথাও স্ট্রিট লাইট বন্ধ থাকলে স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দ্রুত জানাতে বলা হয়।

মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এক মাসব্যাপী চলবে জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, এদিন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। নগর পরিচালনায় নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি জানান।

কার্যক্রম তদারকির জন্য ১০টি দল গঠন করা হয়েছে। এসব দলে আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। কোথাও ব্যর্থতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সার্বিক তদারকির জন্য সিটি করপোরেশনের প্রধান কর্মকর্তা ও সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং পুরো কার্যক্রমের ওপর প্রশাসক নিজেও নজর রাখবেন বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সড়ক ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।