স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পাঠ করাতে পারবেন। যদি তারা কোন মনোনয়ন দিতে না পারেন, তাহলে সরকার থেকে অন্য কাউকে এই ব্যবস্থা করা হতে পারে।
প্রসঙ্গক্রমে তিনি জানান, শপথ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও পালন করতে পারেন। তবে শপথের প্রস্তুতি মূলত মন্ত্রিপরিষদের নয়, সংসদ ও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত।
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের পরে তাদের নেতা নির্বাচন করবেন। নির্বাচিত নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাবাদনের পত্র পাঠাবেন। শপথ অনুষ্ঠানের পরই মন্ত্রিপরিষদের শপথের সময় নির্ধারিত হবে। মন্ত্রিপরিষদের সদস্য সংখ্যা নির্ভর করবে নির্বাচিত নেতার সিদ্ধান্তের উপর।
সংবিধান অনুযায়ী, যদি সংসদ ভেঙে দেওয়া থাকে, তখন পূর্ববর্তী স্পিকারকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই পারপাসের জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত ধরা হবে।
প্রাথমিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানে দাওয়াতপ্রাপ্ত অতিথির সংখ্যা প্রায় ১০০০-এর মধ্যে হবে বলে জানান কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের সকল দিক সম্পূর্ণভাবে সংবিধান ও প্রোটোকল অনুসারে সম্পন্ন হবে।





