✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮

গণঅভ্যুত্থান ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় বিরোধী পক্ষের সদিচ্ছার ঘাটতি: আসিফ নজরুল

প্রবাসীদের ভোটাধিকার চালু সরকারের বড় অর্জন, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই

স্টাফ রিপোর্টার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।

ঢাকা: আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়ায় একটি পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করার বাস্তব কোনো সুযোগ নেই। কারণ গণহত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার পরও সংশ্লিষ্ট দলের কোনো শীর্ষ বা সিনিয়র নেতার কাছ থেকে অনুশোচনা বা নিন্দাসূচক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ওই দলের শীর্ষ নেত্রীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ রয়েছে। তিনি বিদেশে বসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারী ও বর্তমান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হত্যার নির্দেশ দিচ্ছেন, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার উসকানি দিচ্ছেন এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।

আসিফ নজরুল বলেন, রিকনসিলিয়েশন বা অন্তর্ভুক্তির কথা বলতে হলে অপর পক্ষের মনোভাব ও আচরণ বিবেচনায় নিতে হয়। কিন্তু নতুন রাষ্ট্র গঠন, সংস্কার এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার যে প্রক্রিয়া চলছে, তাতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মতো কোনো মানসিক প্রস্তুতি বা সদিচ্ছার ইঙ্গিত তাদের বক্তব্য কিংবা কর্মকাণ্ডে দেখা যায় না। বরং তারা আগের ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পক্ষেই কথা বলছে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।

তিনি বলেন, কাউকে জোর করে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। অন্তর্ভুক্তির জন্য যে মানসিকতা, ইতিবাচক বার্তা বা ইচ্ছা দরকার, তা সংশ্লিষ্ট দলের কারও মধ্যে দেখা যায়নি।

আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের ভোটাধিকার চালু করেছে, যা একটি বড় গণতান্ত্রিক অর্জন। অতীতে রাজনৈতিক দল ও সরকারগুলো চাইলেই এটি করতে পারত, কিন্তু তারা তা করেনি। সরকার প্রমাণ করেছে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়া যান্ত্রিক বা প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে সব প্রবাসী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেননি। তবে একবার এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর ভবিষ্যতে আর কোনো সরকার এটি বাতিল করতে পারবে না। এতদিন প্রবাসীদের বলা হতো ভোটাধিকার দেওয়া সম্ভব নয়, এখন সেই বক্তব্যের আর কোনো ভিত্তি নেই।

আসিফ নজরুল বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের প্রতি গভীরভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অত্যন্ত আগ্রহী। প্রবাসীদের ভোটাধিকার চালু করাকে তিনি বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।