স্টাফ রিপোর্টার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
একজন প্রার্থীর নির্বাচনী গাড়ি থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার এবং দুইজনকে সেনাবাহিনীর হাতে আটক হওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় জোট।
জোটের নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, একজন প্রার্থীর দুটি নির্বাচনী গাড়ি থাকে—একটি প্রার্থীর নিজস্ব এবং অন্যটি চিফ এজেন্টের জন্য। বর্তমানে সাধারণ যান চলাচল সীমিত থাকলেও নির্বাচনী গাড়ি চলাচল করতে পারে। সেই গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার হওয়া আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
তিনি বলেন, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অর্থ বহন করা নাগরিক অধিকার। তবে নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে অর্থ পরিবহন বা লেনদেন স্পষ্টভাবে আচরণবিধি পরিপন্থী। তিনি দ্রুত স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ সময় তিনি গণমাধ্যমের একটি অংশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, কিছু মিডিয়া হাউস নির্দিষ্ট দল বা জোটের পক্ষে সংবাদ পরিবেশন করছে এবং অন্য পক্ষের সংবাদ উপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য উপস্থাপন করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
আসিফ মাহমুদ বলেন, অতীতে মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে মানুষ বিকল্প তথ্য পেয়েছে। এবারও যদি বিভ্রান্তিকর তথ্য বা পক্ষপাত দেখা যায়, তবে তার জবাব জনগণ দেবে।
তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে একটি নির্বাচন হচ্ছে। আগামী পাঁচ থেকে বিশ বছরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এই ভোট। তাই দলমত নির্বিশেষে সবাইকে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু নিজের ভোট দিলেই হবে না, পরিবার ও প্রতিবেশীদেরও ভোট দিতে উৎসাহিত করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম ও অবজারভেশন সেটআপ চালু করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে সারাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আপডেট দেওয়া হবে।





