আজ শুরু হচ্ছে লঞ্চ চলাচল

আরো পড়ুন

অনলাইন ডেস্ক : ঈদুল আজহা উপলক্ষে কঠোর লকডাউন আট দিনের জন্য শিথিল করায় আজ থেকে ফের শুরু হচ্ছে বরিশাল-ঢাকা রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল। এ লক্ষ্যে লঞ্চগুলো ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে। গতকাল কাউন্টার খোলার সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চের কেবিনের আগাম টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। অনেককেই কেবিনের টিকিট পেতে এক কাউন্টার থেকে অন্য কাউন্টারে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে। টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক যাত্রী। আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে লঞ্চের কেবিন টিকিট বিক্রি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলের ওপর গুরত্বারোপ করেছে নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ। এদিকে গত রাত ১২টার পর থেকেই ঢাকা-চাঁদপুর রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়ে গেছে। বরিশাল-ঢাকা রুটের এমভি কীর্তনখোলা লঞ্চ কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে কেবিনের আগাম টিকিট বুকিং নিয়েছেন তারা। আগের চেয়ে চাপ কিছুটা কম হলেও প্রথম দিনেই আগাম টিকিট বুকিং শেষ হয়ে গেছে বলে তিনি জানান। একই রুটের এমভি সুন্দরবন লঞ্চ কোম্পানির কাউন্টার ম্যানেজার মো. জাকির হোসেন বলেন, কাউন্টারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকিট বুকিং নিয়েছেন তারা। লঞ্চও চালানো হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। লঞ্চ মালিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করতে বলেছে। স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে লঞ্চ পরিচালনার যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা বলছেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই লঞ্চ পরিচালনা করতে হবে সংশ্লিষ্ট মালিকদের। ব্যত্যয় হলে দায়িত্ব নিতে হবে স্ব-স্ব লঞ্চ মালিকদের। যাত্রী চাপ বেশি থাকলে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বুধবার মধ্যরাত থেকে শিথিল হচ্ছে লকডাউন। বরিশাল-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলো যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে। সে হিসেবে আজ রাতে উভয় প্রান্ত থেকে যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কোনো লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট মাস্টার এবং মালিকরা দায়ী থাকবেন। তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে যথাযথ ব্যবস্থা।
করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ দফায় ২২ দিন বন্ধ থাকে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল। ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচল করে বিলাসবহুল ২২টি লঞ্চ। এ ছাড়া রাজধানীর সদরঘাট থেকে সারা দেশের ৪১টি নৌপথে চলাচল করে ২২০টি যাত্রীবাহী লঞ্চ।

বিজ্ঞাপনspot_img

বিজ্ঞাপন

spot_img

জনপ্রিয় খবর