ফোন পেলেই অক্সিজেন পৌঁছে দিচ্ছে শামসুল হক টুকু ও লুৎফুন্নেসা ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা

আরো পড়ুন

শিপন : পাবনা জেলার সাঁথিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুক-অধ্যাপক লুৎফুুন্নেছা ফাউন্ডেশনের হট লাইনে ফোন পেলেই স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা ছুটে চলেন অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শাসকষ্ট রোগির বাড়িতে, রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাতের অন্ধকারে ছুটে চলছেন শাষকষ্ট রোগির বাড়িতে বাড়িতে । যে কোন শাসকষ্ট রোগির ফোন পেলেই ছুটে চলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুক-অধ্যাপক লুৎফুুন্নেছা ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা, তাদের এ ছুটে চলা শুধু সাঁথিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ফোন আসছে অক্সিজেন সিলিন্ডার নেওয়া জন্য। ।

নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহের পরেও কোন রোগী মারা গেলে তাদের মধ্যে মানষিক কষ্ট বেড়ে যায়, তারপরেও গভির রাতে ফোন পেলেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে যায় কখনও সিএনজি, কখনও ভ্যান আবার কখনও মোটর বাইকে, সঙ্গী হয় উক্ত ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা

সাঁথিয়া পৌরছাত্রলীগের সভাপতি ও উক্ত ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী দলের প্রধান রাসেদ খাঁন আকাশ জানায়, আমি নিজে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম। বুঝেছি বেঁচে থাকার আকুতি কী? আমি তো মরে যেতে পারতাম, আল্লাহ্ আমাকে বেচে রেখেছেন করোনা রোগিদের সেবা করার জন্য, তাই নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন রাত করোনারোগিদের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি। এমন মুহূর্তে ফাউন্ডেশনের হয়ে শ্বাসকষ্টের রোগীদের সেবা করতে পেরে গর্ববোধ করছি। এ কাজ করতে গিয়ে বৃষ্টি, রাত ও দূরত্বকে জয় করেছি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুক-অধ্যাপক লুৎফুুন্নেছা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ডা: আমিরুল ইসলাম সানু বলেন, আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দরিদ্র পরিবারকে প্রথমে পুষ্টির চাহিদা পূরণে দুধ ও ডিম সরবরাহ করেছি। আমাদের সেবামূলক এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাঁথিয়া-বেড়ার করোনায় আক্রান্ত শ্বাসকষ্টের রোগীদের প্রয়োজনে ১ শত পিস সিলিন্ডার সরবরাহ হরা হবে। তিনি আরও জানান, আমাদের হট লাইনে (০১৩১৫-৫৩৭৫৭৬) ফোন আসলেই অক্সিজেন পৌঁছে যাচ্ছে রোগীর বাড়িতে। রোগীর তুলনায় সিলিন্ডার কম হওয়ায় আমরা সাঁথিয়া হাসপাতালে ইতোমধ্যে অক্সিজেন সেবা শুরু করেছি।
সাঁথিয়া হাসপাতালের আবসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট রয়েছে। রোগী বৃদ্ধি পেলে ফোন করলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুক-অধ্যাপক লুৎফুুন্নেছা ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা তা পৌঁছে দেয়। তাছাড়াও রোগীর  স্বজনরা চাইলে আমার মাধ্যমে রোগীর অবস্থা যাচাই করে তারা নিজেরাই অক্সিজেন লাগিয়ে দিয়ে আসে।

বিজ্ঞাপনspot_img

বিজ্ঞাপন

spot_img

জনপ্রিয় খবর