স্টাফ রিপোর্টার | ৫ মে ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিকে একটি রাষ্ট্রীয় বাস্তবতা হিসেবে উল্লেখ করে সরকার বলেছে, এটি কোনো ব্যক্তি পর্যায়ের চুক্তি নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ ধরনের চুক্তিতে উভয় পক্ষের স্বার্থের সমন্বয়েই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চুক্তিটি পূর্ববর্তী সময় থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে দেশের স্বার্থে এটিকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোই হবে মূল লক্ষ্য।
এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক শুরু করা ‘৩০১ তদন্ত’ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাখ্যা দিয়েছে এবং বাংলাদেশও এ বিষয়ে নিজেদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।
সরকার জানায়, দুই দেশের মধ্যে ইতোমধ্যে একটি চুক্তি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের তদন্ত শুরু হওয়াকে তারা প্রত্যাশিত মনে করেনি। বাংলাদেশ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, দেশে কোনো খাতে ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই এবং অধিকাংশ পণ্যই আমদানি নির্ভর।
রপ্তানি খাত প্রসঙ্গে বলা হয়, দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্প কঠোর কমপ্লায়েন্সের আওতায় পরিচালিত হয়। সেখানে শিশুশ্রম বা শ্রম আইন লঙ্ঘনের সুযোগ নেই বলেও সরকার উল্লেখ করেছে। এছাড়া, কম দামে পণ্য রপ্তানি বা ‘ডাম্পিং’-এর মতো সক্ষমতাও বাংলাদেশের নেই বলে জানানো হয়।
সরকার আরও জানায়, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
চুক্তির মধ্যেই স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সংশোধনের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে সরকার জানায়, ভবিষ্যতে কোনো ধারা বাংলাদেশের অনুকূলে না হলে তা সংশোধনের ব্যবস্থা রয়েছে। এ বিষয়ে অযথা উদ্বিগ্ন বা আতঙ্কিত না হওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।




