✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮

দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তায় আলজেরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

জ্বালানি, সার, ওষুধশিল্প ও জাহাজ নির্মাণে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব জোরদারের আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

ঢাকা: দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলজেরিয়ার সঙ্গে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধশিল্প, কৃষি, জাহাজ নির্মাণসহ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়া।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান তিনি।

বাংলাদেশের টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ খাতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ খতিয়ে দেখতে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে দুই পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধশিল্প, কৃষি, জাহাজ নির্মাণ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করে।

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদারে সার খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, এসব কৌশলগত খাতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে পারে।

বন্ধুত্বপূর্ণ দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও গভীর করতে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের গুরুত্বও তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারে আলজেরিয়ার আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত জ্বালানি, ওষুধশিল্প, সার, জাহাজ নির্মাণ এবং সামুদ্রিক নৌপরিবহন সেবায় সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ জানান।

ঢাকা ও আলজিয়ার্সের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।