জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় ‘আওয়ামী দোসরদের’ সম্পৃক্ত করা যাবে না: জয়নুল আবদিন ফারুক

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় ‘আওয়ামী দোসর’ কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা যাবে না বলে সতর্ক করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও…

ছবি :নিউজ চ্যানেলবিডি

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় ‘আওয়ামী দোসর’ কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা যাবে না বলে সতর্ক করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন—

“বাংলাদেশে যে গণতন্ত্র এনে দিয়েছেন মুগ্ধ-আবু সাঈদরা, শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে সেই গণতন্ত্র ধ্বংস করতে চাইছেন। হাসিনার প্রেতাত্মারা এখনো সচিবালয়ে বসে আছে। তাই যাদের উপস্থিতিতে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের ভোট কারচুপি হয়েছে, তাদের যেন কোনোভাবেই আগামী নির্বাচনে সম্পৃক্ত করা না হয়।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন—

“আমরা আপনাকে একজন সৎ ও দক্ষ ব্যক্তি হিসেবে জানি। অনুরোধ থাকবে, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় যেন কোনোভাবেই আওয়ামী প্রেতাত্মারা দায়িত্ব পালন করতে না পারে। এ বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।”

নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে ফারুক বলেন, বিএনপি জীবনভর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। সেই লড়াইয়ে অনেকে পরিবার হারিয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তবুও লড়াই থামেনি। তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সংখ্যানুপাতিক (PR) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন—

“পিআর পদ্ধতি আনতে হলে জনগণের কাছে যান, নির্বাচিত হয়ে সংসদে যান, সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করুন, তারপর সংবিধান পরিবর্তন করে পিআর পদ্ধতি চালু করুন।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা মৃত ব্যক্তির ভোট ব্যবহার করে নির্বাচনে জালিয়াতি করেছেন এবং এখন দিল্লিতে বসে দোসরদের দিয়ে বাংলাদেশে চক্রান্ত চালাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিম। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ওবাদুর রহমান টিপু। বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতারাও বক্তব্য রাখেন।