স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ই জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
২০১০ সাল কিংবা তারও আগে থেকে যেসব মানুষ ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন কিংবা গুমের শিকার হয়েছেন, সেই সব পরিবারের পাশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নীরবে ও গোপনে সহযোগিতা করে আসছিলেন—যা দলের অনেক নেতাকর্মীর কাছেও অজানা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, সম্প্রতি বরিশাল থেকে আসা একজন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য নিজে চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে জানান, কীভাবে তিনি বছরের পর বছর ধরে ওই পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং নানাভাবে সহায়তা করেছেন। এসব কাজ তিনি বিভিন্নজনের মাধ্যমে এমনভাবে করেছেন, যা অনেকেই জানতেন না।
রুহুল কবির রিজভী জানান, ২০২৪ সালে ‘বিএনপি পরিবার’ গঠনের মাধ্যমে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। এর পর থেকে গুম, খুন ও ক্রসফায়ারে নিহত পরিবারগুলোর পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে নিহত ও গুরুতর আহতদের প্রতিও সহযোগিতার হাত আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি পরিবারের নেতৃত্বে থাকা আতিকুর রহমান রুম্বন ও কৃষিবিদ মিথুন দিন-রাত পরিশ্রম করে যেকোনো ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন এবং চেয়ারম্যান মহোদয়ের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন। এই কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে।
রিজভী আরও বলেন, অতীতেও তারেক রহমান নানাভাবে এসব পরিবারকে সহায়তা করেছেন, তবে এখন সংগঠনের মাধ্যমে সেটিকে আরও সুসংগঠিত করা হয়েছে। তিনি উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর উদ্দেশে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, গণতন্ত্র আরও নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলমান থাকবে।
তিনি বলেন, কোনো অর্জনই সম্ভব নয় যদি গুম হওয়া সন্তানদের, ক্রসফায়ারে নিহতদের কিংবা রক্তাক্ত লাশ দাফন করা পরিবারগুলোর ত্যাগকে উপেক্ষা করা হয়। জনগণের সমর্থনে যদি ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করে, তাহলে এসব পরিবারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পুনর্বাসন, সামাজিক প্রতিষ্ঠা ও যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার যে প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন, তা বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই বিএনপির রাজনৈতিক ও নৈতিক অঙ্গীকার।





