স্টাফ রিপোর্টার ২০ শে জানুয়ারি ২০২৬ নিউ চ্যানেল বিডি
আসন্ন নির্বাচনে কিছু আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, দুটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, একটি দল তুলনামূলকভাবে বড় এবং আরেকটি তাদের অনুসারী দল। এদের নির্বাচনী প্রচারণা ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম অত্যন্ত দুর্বল, প্রায় নেই বললেই চলে। তারপরও তারা হুংকার দিয়ে বলছে যে তারাই ক্ষমতায় যাবে। এটি স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়, যদি না ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়।
তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে যখনই ক্রান্তিকাল এসেছে, তখনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়োজন হয়েছে। আজ বাংলাদেশ আবার একটি ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে। এই সময় দেশকে এগিয়ে নিতে বর্তমান বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তব্যে তিনি জানান, নির্বাচন নিয়ে তিনি কোনো অভিযোগ আনছেন না, বরং একটি আশঙ্কার কথা প্রকাশ করছেন। তার দাবি অনুযায়ী, তিনি বিভিন্ন সূত্র থেকে শুনেছেন এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বুঝতে পারছেন যে কিছু মহল নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও তিনি এই মুহূর্তে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারছেন না, তবে বিষয়টি বাস্তব বলেই মনে করছেন।
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট দুটি দল সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। উদ্দেশ্য একটাই—কীভাবে নির্দিষ্ট কিছু আসনে কৌশলে জয় নিশ্চিত করা যায়, যাতে বিএনপি ক্ষমতায় যেতে না পারে এবং সেই দলগুলো ক্ষমতার সুবিধা ভোগ করতে পারে।
মির্জা আব্বাস বলেন, আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন, যাদের প্রচারণা নেই, সংগঠন দুর্বল, তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষমতায় যাওয়ার দাবি করছে। নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া এটি সম্ভব নয়।
তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, এই নির্বাচনে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কোনোভাবেই যেন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং করতে না পারে, সে বিষয়ে দল ও দেশবাসীকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এই বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।





