স্টাফ রিপোর্টার | ১৫জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাহস ও প্রেরণার উৎস হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু চৌধুরী বলেছেন, “আমার নেত্রীই আমাদের সাহস যুগিয়েছেন। আমি একা কিছু করিনি—সারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মানুষের সাহস এসেছে বেগম খালেদা জিয়ার কাছ থেকে।”
তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া একজন গৃহবধু ছিলেন। তার কোনো রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ছিল না। কিন্তু মানুষের তাগিদে, গণতন্ত্রের তাগিদে এবং আমাদের অধিকারের তাগিদে তিনি রাজপথে নেমে এসেছিলেন।”
আমির খসরু চৌধুরী বলেন, “একজন গৃহবধু জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করে গেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, এমনকি মৃত্যুবরণ করেছেন—তবুও আপোষ করেননি। কিন্তু তিনি কখনো বলেননি—আমি এটা করেছি, আমি ওটা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ওপর যে অবিচার ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে, সে বিষয়েও তিনি কখনো মুখ খোলেননি। “তিনি শুধু বলেছেন—আমরা একটি শান্তিপূর্ণ দেশ চাই, বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা চাই, সংঘাতমুক্ত রাজনীতি চাই,” বলেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, “তিনি আমাদের শিখিয়েছেন—ভিন্নমত থাকলেও একে অপরের প্রতি সম্মান রেখে রাজনীতি করতে হবে। কারো সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলেও তার মতকে সম্মান জানাতে হবে।”
তিনি বলেন, “এই মানুষটির প্রতি মানুষের ভালোবাসা ক্রমান্বয়ে পুঞ্জিভূত হয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ আমরা দেখেছি তার জানাজার সময়। সেটাই ছিল আমাদের জন্য তার শেষ উপহার।”
আমির খসরু চৌধুরী বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া আমাদের যে উপহার দিয়ে গেছেন—গণতন্ত্রের সেই টর্চ তিনি তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছেন। আমাদের দায়িত্ব হলো সেই টর্চকে সম্মানের সঙ্গে বহন করা।”
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “এটি শুধু রাজনীতির জন্য নয়—বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ, স্থিতিশীলতা, পারস্পরিক সহানুভূতি ও সম্মান বজায় রাখার জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজন।”
সবশেষে তিনি বলেন, “আমি রাজনীতির বাইরে দাঁড়িয়ে বলছি—শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, সংঘাতমুক্ত ও প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে যে রাজনীতি বেগম খালেদা জিয়া আমাদের শিখিয়ে গেছেন, আমরা যদি তা ধারণ করতে পারি, তাহলে আগামীর বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”




