প্রায় দুই যুগ পর বগুড়ায় এসে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন জুবাইদা রহমান। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
অনুষ্ঠানে তিনি টিএসএফ চাইল্ড সাইড ফাউন্ডেশন গ্লোবালের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। বলেন, তাদের উদ্যোগে শিশু-কিশোররা যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা পেয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পাচ্ছে।
‘শিশুস্বর্গ’ নামের একটি প্রকল্প ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জুবাইদা রহমান বলেন, নিজেদের প্রচেষ্টায় কীভাবে শিশুদের জন্য একটি সুন্দর ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার পরিবেশ তৈরি করা যায়, তার বাস্তব উদাহরণ এই উদ্যোগ। তিনি জানান, শিশুদের জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাসই তাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যেতে পারে।
সিএসএফের একটি অনুষ্ঠানে দুইজন শিশুর বক্তব্য তাকে মুগ্ধ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একজন কবিতা লেখেন এবং আইটি খাতে কাজ করেন— এমন উদাহরণ ভবিষ্যতে আরও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশ গঠনের নেতৃত্ব দেবে। এ সময় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন জুবাইদা রহমান। সুস্বাস্থ্য কর্মসূচি জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ, শিক্ষা ব্যবস্থায় ‘ওয়ান ট্যাপ ওয়ান টিচার’ উদ্যোগ এবং শিক্ষার সঙ্গে আনন্দ যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
ক্রীড়া উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলায় ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো হবে। এতে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে এগিয়ে যেতে পারবে।
শেষে জুবাইদা রহমান সিএসএফ গ্লোবালকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।





