স্টাফ রিপোর্টার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, শুধু আমাদের দল নয়, অন্যান্য দলেরও কিছু প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী কোনো প্রার্থী যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করে, তখনই সে নির্বাচনের জন্য যোগ্য হয়। এ প্রেক্ষিতে যে হলফনামা বা এফিডেভিট দেওয়া হয়, সেখানে প্রার্থীকে স্পষ্টভাবে বলতে হয় যে তিনি অন্য দেশের নাগরিক কিনা। তবে নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া নমিনেশন পেপারের সঙ্গে নাগরিকত্বের কোনো নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ নেই।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, আমরা একটি প্রতিযোগিতামূলক ও সুষ্ঠ নির্বাচন প্রত্যাশা করি। তবে বিদেশে বসবাসরত ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, ব্যালট পেপারে কিছু রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীক প্রথম লাইনে থাকলেও বিএনপির নাম ও প্রতীক মাঝখানে দেওয়া হয়েছে, যার কারণে ভোটারদের জন্য তা সহজভাবে পড়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা মূলত অ্যালফাবেটিকাল ক্রম ঠিক করা নিয়ে ফোকাস করেছিলেন।
তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের এনআইডি কার্ড, ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছে। নজরুল ইসলাম খান বলেন, এর উদ্দেশ্য পরিষ্কার যে, কিছু এলাকায় ভুয়া ভোট তৈরি করা বা ভোটের লেনদেনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে এবং তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, বড় বড় নেতারা ও দলীয় নেতারা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, এসপিদের বদলি লটারি পদ্ধতিতে হয়েছে এবং বিএনপি এর কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। এটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার হতে পারে যাতে কেউ অভিযোগ করতে না পারে।





