প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার

স্টাফ রিপোর্টার | ৬ মে ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থিতিশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

বুধবার সকালে রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে আয়োজিত ‘সি.ও.এম.পি.এ.এস.এস. ডায়ালগ, চ্যাপ্টার-১: দ্য ওয়েস্টার্ন ক্যালিব্রেশন’ শীর্ষক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর) আয়োজিত এ সংলাপে বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।

মির্জা ফখরুল বলেন, জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং গ্যাস উত্তোলন বাড়াতে আগামী তিন মাসের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তিনি বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর ধীরগতি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এ সমস্যা কাটিয়ে দেশকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে। তার মতে, বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য।

মন্ত্রী বলেন, “অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি খাতের অগ্রগতি এবং নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছি। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।”

তিনি আরও বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সমস্যার সমাধানে সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়বে।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।”

সংলাপে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নতুন বিনিয়োগ ক্ষেত্র সৃষ্টির বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।