রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তারেক রহমান

নির্বাচন, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি ঢাকা:…

Posted by:

on

নির্বাচন, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

ঢাকা: ২৫ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ও জননন্দিত রাজনৈতিক নেতা তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা। আন্তর্জাতিক মহলে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বিবেচিত তারেক রহমানের সঙ্গে এই সাক্ষাৎগুলো অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র জানায়, সোমবার তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কানাডার হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্রের নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলসহ মোট ১১ জন রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক প্রতিনিধি। বৈঠকে বিএনপি ভবিষ্যতে সরকার গঠন করলে কী ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচনায় বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা সম্প্রসারণ, ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্ট বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, ভবিষ্যতে বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করলে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা হবে। একই সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথাও আলোচনায় আসে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এই সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ায় কাজ করা হবে এবং উন্নয়ন অংশীদারদের সমর্থন নিয়ে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের উদ্যোগ জোরদার করা হবে।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়েও বৈঠকে কথা হয়। কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচনের দিকে দেশ এগোচ্ছে—এ নিয়ে তারাও আশাবাদী বলে জানান।

বৈঠকে অংশ নেওয়া কূটনীতিকরা বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে যে আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে, তা গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। তাদের প্রত্যাশা, এই নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে এবং দেশ দীর্ঘ সময়ের অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে এসব ইতিবাচক সংলাপ অব্যাহত থাকবে।