স্টাফ রিপোর্টার | জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
বিএনপির নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে বিভিন্ন মতের মানুষ মুক্তভাবে সংলাপে অংশগ্রহণ করছে। তিনি বলেন, “এই পরিবেশ বহুদিন ধরে আমাদের প্রয়োজন ছিল। এটি আমাদের জন্য একটি স্টেপিং স্টোন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং ব্লক।”
তিনি আরও বলেন, দেশের সমস্যার সমাধান একক কোনো সরকারের হাতে নয়। কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য পার্টনারশিপের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারের সঙ্গে সিভিল সোসাইটি, এনজিও এবং প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজনীতিবিদদের উপর জনগণের আস্থা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। “একাউন্টেবিলিটি বাড়ানো হলে সংসদীয় গণতন্ত্রে সাফল্য সম্ভব। একাউন্টেবল না হলে অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “বাংলাদেশে সব দল একসাথে হলে দেশ পরিবর্তন হবে এমন কোনো বাস্তব সুযোগ নেই। প্রত্যেক দলের নিজস্ব দর্শন, চিন্তাভাবনা ও রূপরেখা রয়েছে। তাই এককভাবে বা অংশগ্রহণমূলকভাবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।”
নেতা বলেন, জনগণ বাংলাদেশের প্রকৃত মালিক। রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব হলো জনগণের কাছে পৌঁছানো, ম্যান্ডেট সংগ্রহ করা এবং সেই ম্যান্ডেট অনুযায়ী পার্লামেন্টে কাজ করা। অন্য দলের সঙ্গে সব বিষয়ে মিল না হলেও পার্লামেন্টারি গণতন্ত্রের মূলনীতি মেনে কাজ করতে হবে।
তিনি দেশের অর্থনীতিকেও উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের ভিউ হচ্ছে অর্থনীতি ও রাজনীতির মধ্যে সুষম সম্পর্ক রাখা এবং গণতন্ত্রের অধীনে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা। শুধুমাত্র কিছু লোক বা সংগঠিত গোষ্ঠী উপকৃত হলে সাধারণ মানুষ পিছিয়ে পড়বে।”
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতের রাজনীতিতে যারা জনগণের প্রত্যাশা ও একাউন্টেবিলিটি বুঝতে পারবে, তারা দেশকে প্রগতিশীল ও স্থিতিশীল করতে সক্ষম হবে।





