হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান

২২ জানুয়ারি সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী হয়ে গভীর রাতে ঢাকায় ফেরার কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার
১৩ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দলের অভিভাবক হিসেবে সিলেটে তার প্রথম আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

সকাল ১১টায় সিলেট আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে তিনি বৃহত্তর সিলেট বিভাগের প্রার্থীদের জনগণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবেন। এসময় সিলেট জেলার ছয়জন (একজন জোট প্রার্থীসহ) এবং সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচজন—মোট ১১ জন দলীয় প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।

দিনব্যাপী সফরসূচি

  • সিলেট (আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ) — সকাল ১১টা: জনসভা ও ১১ জন প্রার্থী পরিচিতি
  • শেরপুর, ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক — দুপুর ২টা থেকে ২:৩০টার মধ্যে মৌলভীবাজার জেলার ৪ জন প্রার্থীর পরিচিতি
  • শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ — বিকাল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে হবিগঞ্জ জেলার ৪ জন প্রার্থীর পরিচিতি ও জনসভায় বক্তব্য
  • সরাইল বিশ্বরোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া — জেলার সকল প্রার্থীর পরিচিতি
  • ভৈরব হাইওয়ে সংলগ্ন স্টেডিয়াম মাঠ — কিশোরগঞ্জ জেলার সকল প্রার্থীর পরিচিতি
  • বালুরচর মাঠ, নরসিংদী — সদর বাদে জেলার সকল উপজেলার প্রার্থীদের পরিচিতি
  • রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ — গভীর রাতে ঢাকা প্রত্যাবর্তন

নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা

বিএনপি নেতারা জানান, গত ১৭ বছর ধরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সিলেট বিভাগে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-মোকদ্দমা ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দল ঐক্যবদ্ধ ছিল। দলের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবার সিলেটে আগমন নেতাকর্মীদের জন্য এক আবেগঘন মুহূর্ত।

নেতারা বলেন, “তারেক রহমান সিলেটের জামাতা—এই পরিচয় আমাদের জন্য গর্বের। তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষ তাকে বরণ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।”

নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নেতাকর্মীরা জানান, তারেক রহমানের সফর ঘিরে দলের নিজস্ব স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (SSF)চেয়ারপার্সন সিকিউরিটি ফোর্স (CSF) সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকবে। পাশাপাশি শত শত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে তারা আশাবাদী।

গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নেতারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, ২২ জানুয়ারির জনসভাগুলো অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে নতুন রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষী হবে।

গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জিকে গউস বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি