✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮

পরিবেশ রক্ষায় স্বীকৃতি পেলেন এস এম আরিফুল আমিন

কন্যাসন্তানের জন্য এক হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র পেলেন বগুড়ার ধুনটের পরিবেশকর্মী

Posted by:

on

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি:

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতি করুণা বা অনুদান নয়, বরং বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। একই অনুষ্ঠানে কন্যাসন্তানের জন্য এক হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র পেয়েছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার পরিবেশকর্মী এস এম আরিফুল আমিন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ‘বাংলাদেশ অ্যাট কপ-৩১: ফ্রম ন্যাশনাল প্রায়োরিটিজ টু গ্লোবাল ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ। ‘আজকের প্রজন্ম ফোরাম’ (এপিএফ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে ‘ইয়ং ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক’।

অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান মাত্র ০.৪৭ শতাংশ হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে দেশটি। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি ও মৎস্যসম্পদ। অন্যদিকে, প্রতিবছর বন্যায় মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদিপশু ও বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণের পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে। তাই জলবায়ু তহবিলের অর্থপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা দূর করতে হবে। অর্থের স্বচ্ছতা ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সহায়তা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের জলবায়ুবিষয়ক অগ্রাধিকার এবং তরুণদের ঐক্যবদ্ধ দাবি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে, কন্যাসন্তানের জন্য এক হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র পাওয়ায় পরিবেশ সংরক্ষণে এস এম আরিফুল আমিনের উদ্যোগটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তাঁর এ উদ্যোগ বৃক্ষরোপণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরে।

পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে জলবায়ু কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন অনুষ্ঠানের বক্তারা।