স্টাফ রিপোর্টার | ৯ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
নজরুল ইসলাম খান বলেন, “সব ভালো কাজের শত্রু থাকে, সব ভালো উদ্যোগের বিরোধিতা হয়। তাই এটি কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। আমাদের শহীদ হাদির ঘটনাও এরই অংশ। যে যারাই দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও কল্যাণের জন্য কাজ করতে চায়, তাদেরও শত্রু থাকে। সেই শত্রুরা চেষ্টা করে যেন ভালো কাজের গতি ধীর করে দেওয়া যায়।”
তিনি আরও যোগ করেন, “কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যে এদেশের মানুষ আন্দোলন ও সংগ্রামে পুড়ে খাটি সোনা হয়ে গেছে। তাদেরকে কোনো অপকর্মের দ্বারা আটকানো সম্ভব হবে না।”
নির্বাচন পরিচালনা এবং ইশতেহারের বিষয়ে তিনি বলেন, “এটি একটি রাজনৈতিক বিষয়। এর জন্য একটি আলাদা টিম কাজ করছে এবং খুব শিগিরই ফলাফল প্রকাশিত হবে। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যারা প্রার্থী হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের দলের মধ্যে প্রচুর যোগ্য প্রার্থী রয়েছে, যারা দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলবেন—আমরা তাদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “প্রত্যাহারের সময় এখনও শেষ হয়নি। অনেকেই ইতিমধ্যেই প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন। আশা করছি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন। এর মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দৈনন্দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা সক্রিয় ও কৌশলী উদ্যোগ নেন। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিও জরুরি। যারা দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার বিরোধী তারা নানা ঘটনা ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তবে আমরা আশা করি সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের ছাত্র সংগঠন দীর্ঘদিন সরকারি দলের কৌশলের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে প্রবেশ করতে পারেনি। কিন্তু যারা মোটামুটি ভালো ফলাফল করছে, তাদের কাজের সুফল তারা এখন ভোগ করার চেষ্টা করছে। আমরা সেই কৌশলকে গ্রহণ করি নি। আমাদের রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপ্রণালী আরও গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি শেষমেশ বলেন, “এই নির্বাচন শেষ নির্বাচন নয়। এটি একটি ট্রাঞ্জিশনাল সময়ের নির্বাচন। যখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে, তখন ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের আধুনিক চিন্তা ও উদ্ভাবনী ভাবনা নিয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।”





