ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ (নিউজ চ্যানেল বিডি):
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা মো. জুবায়েদ হোসাইন হত্যার ঘটনায় দুজন সন্দেহভাজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক নারীকে আটকও করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ জোনের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী রোববার রাতে বলেন,
“প্রাথমিকভাবে আমরা দুজনকে শনাক্ত করেছি। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “ধারণা করছি, তাঁকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বিল্ডিংয়ের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।”
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিকেল ৪টা ৩৯ মিনিটে বংশালের নূরবক্স রোডের মকথা এলাকা থেকে কালো টি-শার্ট ও কালো ব্যাগপিঠে দুই যুবককে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। পুলিশের ধারণা, তারাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।
রাতেই ছাত্রদল নেতা হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে উত্তেজনা, বিক্ষোভে ছাত্রদল
জুবায়েদ হত্যার খবরে রাত থেকেই আরমানিটোলা এলাকা ঘিরে ফেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বিচারের দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকেন।
সহপাঠী ও বন্ধুরা জুবায়েদের মৃত্যুতে শোকাভিভূত হয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তারা হতবাক ও ক্ষুব্ধ।
পুলিশ যখন সন্দেহভাজন নারীকে আটক করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানসহ শীর্ষ নেতারা।
আসামি নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে — সেদিকে দলের দায়িত্বশীল নেতাদের গভীর দৃষ্টি ছিল।
পুলিশ আটক নারীকে নিয়ে বের হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা হত্যার দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন।





