স্টাফ রিপোর্টার | ৯ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডই ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছে এবং প্রতিটি ঘটনার পেছনে আলাদা উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাক হোসেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো পরিকল্পিত এবং এর মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
গতকাল স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি মুসাব্বিরকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, সে ঘটনায় ইতোমধ্যে একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ ও গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে উল্লেখ করে ইসরাক হোসেন বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত দ্রুততম সময়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা।
শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ঘটনায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এর পেছনে পতিত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ এবং তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ জড়িত থাকার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন অডিও রেকর্ডের মাধ্যমে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইসরাক হোসেন আরও বলেন, “আপনারা দেখেছেন, এক পলাতক অভিনেত্রী গণঅভ্যুত্থানে বিশেষ ভূমিকা রাখা আমাদের ভাইদের হত্যা করার নির্দেশ দিচ্ছেন। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং একটি গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে।”
নির্বাচন বাঞ্চাল করার চেষ্টার বিষয়ে তিনি বলেন, যারা রাজনৈতিকভাবে আজ প্রত্যাখ্যাত, যাদের জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং যাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের আর কোনো সুযোগ নেই—তারাই চায় নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না হয়। এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের সব রাজনৈতিক শক্তির এখন দায়িত্বশীল আচরণ করা জরুরি। বাংলাদেশের জন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং নির্বাচিত সরকারের কোনো বিকল্প নেই। যত প্রতিকূলতাই আসুক, আগামী নির্বাচন হতেই হবে। নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমেই দেশের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত থাকবে—ইনশাআল্লাহ।





