বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে এবং এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না।
তিনি গত সোমবার (১৪ জুলাই, ২০২৫) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে এই মন্তব্য করেছেন।
মির্জা ফখরুল এই কথা বলার কারণগুলো হচ্ছে:
- গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা: তিনি মনে করেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে কোনো আপস নেই এবং মানুষ একটি নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব চায়। একটি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমেই গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ সম্ভব।
- জনগণের চাওয়া: দেশের মানুষ নির্বাচন চায় এবং নির্বাচনের জন্য প্রাণ দিয়েছে।
- লন্ডন বৈঠকের সিদ্ধান্ত: তিনি উল্লেখ করেছেন যে, লন্ডন বৈঠকে তারেক রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টা আলাপ করে আগামী ২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঠিক করেছেন এবং এটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে একটি আশার সঞ্চার হয়েছে।
- ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেছেন যে, যখন নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে, ঠিক তখনই কিছু রাজনৈতিক মহল এবং চক্র বাংলাদেশের রাজনীতিকে ভিন্ন পথে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তিনি এই ষড়যন্ত্রকে নতুন কিছু নয় বলে উল্লেখ করেছেন।
- অন্ধকার শক্তির আশঙ্কা: তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি সংসদ নির্বাচন না হয়, তাহলে দেশে একটি “অন্ধকার শক্তি” আবার ক্ষমতায় আসবে। তাই সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করতে হবে যাতে নির্বাচন হয়।
সংক্ষেপে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মূলত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।





