স্টাফ রিপোর্টার | ৬ জুলাই ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র (ডে-কেয়ার সেন্টার) শুধু শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
সোমবার রাজধানীর পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্রের অভাবে কর্মজীবী মা ও তাঁদের সন্তানদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি কর্মজীবী পরিবারের চাহিদা বিবেচনায় সারা দেশে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ১২৩টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রে ৭ হাজার ৩৬০ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে, যা মোট শিশুর চাহিদার মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ পূরণ করছে। ফলে অনেক শিশু প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, সমবয়সীদের সঙ্গে মেলামেশা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, মানসম্মত ও সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং শৈশবকালীন বিকাশ শিশুদের জ্ঞানীয়, সামাজিক ও মানবিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীদের অবদানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাঁদের দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে অসংখ্য কর্মজীবী মা নিশ্চিন্তে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
এর আগে তিনি তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং পানি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং ফারজানা শারমিন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্র শুধু কর্মজীবী মায়ের জন্য নয়, বরং প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছয় মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে দিবাযত্ন কেন্দ্রের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে।





