ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রতিবেশীর স্বার্থ রক্ষা ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখা দুই দেশেরই দায়িত্ব

স্টাফ রিপোর্টার | ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল সরকারকেন্দ্রিক নয়, এটি উভয় দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক। প্রতিবেশীর স্বার্থ রক্ষা এবং পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখা দুই দেশেরই দায়িত্ব।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক, মুক্ত বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

মঈন খানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা

সাক্ষাৎকালে ড. আবদুল মঈন খানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেন, ড. মঈন খানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনেক কিছু শেখার আছে।

জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজের আহ্বান

এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে পেছনে ফেলে দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করে যাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় কাজ।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চান না জানিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন হবে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়ন হবে।’

ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার মাধ্যমে উভয় দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।