স্টাফ রিপোর্টার |২৪ জানুয়ারি ২০২৬ নিউজ চ্যানেল বিডি
বিএনপির সিনিয়র নেতা মির্জা আব্বাস বলেছেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস শুধু একটি দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সব রাজনৈতিক দলের সদস্যদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ কারণে এককভাবে কাউকে দায়ী করে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে টানা ১৭ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসকে লালন করা হয়েছে। এর ফলেই সমাজের গভীরে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রোথিত হয়ে গেছে।
মির্জা আব্বাস জানান, গত পাঁচ তারিখের পর তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজ বাসায় একটি বিশেষ টিম গঠন করেছিলেন। ওই টিমে দুটি মাইক্রোবাস, প্রায় দশজন যুবক এবং একটি হটলাইন নম্বর ছিল। অভিযোগ পেলে পুলিশ নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে চাঁদাবাজদের দমন করা হতো।
তিনি দাবি করেন, প্রায় দুই মাস ওই ব্যবস্থা কার্যকর থাকায় পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল। তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগ প্রত্যাহার করার পর পুলিশ কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং পুনরায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, যখন তিনি দোকান থেকে চাঁদা তোলা বন্ধ করতে নির্দেশ দেন, তখন অনেকে এসে প্রশ্ন করেন, চাঁদাবাজরা এখন কী করবে। জবাবে তিনি বলেন, তারা আগে যে পেশায় ছিল সেখানে ফিরে যেতে পারে, এতে কারও আপত্তি নেই।
মির্জা আব্বাসের মতে, সামাজিকভাবে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূল করা সহজ নয়। তবে কেউ যদি এসবের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে চায়, তাহলে তার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।





