স্টাফ রিপোর্টার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, “ঢাকা সরকার বলছে তারা আমাদের একটি সিটও দেবে না। আমার প্রশ্ন হলো, তারা আমাদের সিট দেওয়ার কে? বাংলাদেশে সিট দেওয়ার মালিক আল্লাহ তায়ালা ও জনগণ।”
এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, অন্য দলের কার্যক্রম ও সরকারের একটি মহলের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে, কোথাও কিছু একটা গড়বড় আছে। তিনি বলেন, “আমার যোগ্যতা বা অযোগ্যতা নির্ধারণ করবেন এলাকার জনগণ। কারণ এই এলাকায় আমার কাজের রেকর্ড আছে, মানুষের সঙ্গে সবসময় ভালো-মন্দে ছিলাম। আমি কখনো এলাকাবাসীকে ছেড়ে যাইনি। এমনকি মন্ত্রী থাকার সময়ও এলাকার সঙ্গেই ছিলাম।”
মির্জা আব্বাস বলেন, “এই এলাকাতেই আমার জন্ম। তাই আমি আশা করি, ১৯৯১, ১৯৯৬, ১৯৯৩ ও ২০০১ সালের মতো এবারও জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দেবে। এটা জনগণের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, এখানে আমার কিছু বলার নেই।”
তিনি আরও বলেন, “একজন প্রার্থী বলেছেন ঢাকা শহরে আমাদের একটি সিটও দেবে না। এ ধরনের কথা স্বেচ্ছাচারী ও অগণতান্ত্রিক। জনগণের ওপর কথা বলার অধিকার কারও নেই।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার ধারণা, বিশেষ একটি শক্তি নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা করবে। কিন্তু জনগণ তা প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা আব্বাস বলেন, “কিছু মানুষ মিথ্যা ডকুমেন্ট, ভুয়া ভিডিও ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বট বাহিনী দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসবের কোনো সত্যতা নেই। ইতিহাসে এদের ভূমিকা জাতির সামনে পরিষ্কার।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ সবসময় সচেতন ও প্রতিবাদী। ১৯৭১ সালে পাক বাহিনীকে পরাস্ত করেছে, স্বৈরাচার এরশাদকে প্রতিহত করেছে, আগেও করেছে, এবারও করবে ইনশাআল্লাহ।”
নিজ এলাকার সমস্যা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, “আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো এলাকা থেকে মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূল করা। গত ১৭ বছরে এসব আমার এলাকাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই তিনটি জায়গা থেকে এলাকাকে রক্ষা করতেই আমি কাজ করছি।”





