স্টাফ রিপোর্টার ২৬ জানুয়ারি ২০২৬| নিউজ চ্যানেল বিড
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশের রাজনীতিতে নয়, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিকভাবে প্রভাব রেখেছেন। তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে পাঠানো হলে সেখানে এক নাইজেরিয়ান নার্স তার সঙ্গে কথা বলতে আসেন।
ওই নার্স জানান, খালেদা জিয়ার নাম শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং বলেন, বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর নীতির প্রভাবেই তার দেশের সরকার একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলেই তিনি নার্সিং পড়ে আজ লন্ডনে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল কাটা কর্মসূচি চালু করেছিলেন, গার্মেন্টস শিল্পের ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। এর ফলেই দেশের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসে।
তিনি বলেন, শুধু সাধারণ ডিগ্রি নিয়ে চাকরির আশা করলে চলবে না। তরুণদের কারিগরি শিক্ষার দিকে যেতে হবে। প্লাম্বার, কার্পেন্টার, ইলেকট্রিশিয়ান, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষণ নিলে দেশে ও বিদেশে ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও বেগম জিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণী আজ ভালো চাকরি পাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এমন আরও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষ অংশে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, কিন্তু হিন্দু-মুসলমান সবাই যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে বসবাস করছে। তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কেউ অন্যায় করলে মুসলমান ভাইয়েরা পাশে দাঁড়াবে। অতীতেও সব সমস্যার সমাধানে একসঙ্গে কাজ করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।





