স্টাফ রিপোর্টার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ক্যান্টনমেন্টের গেটে এক প্রার্থীর আচরণে তারা হতবাক হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের নাম স্পষ্ট না করেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন।
রিজভী বলেন, “তিনি কে, তার নাম কী—একবারও বলেননি। কিন্তু বারবার বলেছেন তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটাররা কাকে ভোট দেবেন, সেটাই তো পরিষ্কার নয়।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তার দাবি, ব্যবহৃত শব্দগুলো ছিল অত্যন্ত অশালীন এবং অনভিপ্রেত।
বিএনপির এই নেতা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করার একটি গণতান্ত্রিক মানদণ্ড রয়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুসৃত হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই মানদণ্ড লঙ্ঘিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রিজভী অভিযোগ করেন, “এ ধরনের আচরণ ফ্যাসিবাদী ও সহিংস মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। ধর্মের নাম ব্যবহার করে যদি নতুনভাবে এমন প্রবণতা আত্মপ্রকাশ করে, তা আরও ভয়াবহ হবে।”
তিনি বলেন, অতীতে নানা নির্যাতন ও দমন-পীড়নের শিকার হলেও বিএনপি অন্তত সেনাবাহিনীকে সবসময় সমালোচনার ঊর্ধ্বে রেখেছে। তার ভাষায়, “সেনাবাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই প্রতিষ্ঠানকে অপমান বা অসম্মান করা যায় না।”
রিজভী আরও বলেন, ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় তারা আন্দোলন-সংগ্রামের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিরোধে জড়ালেও কখনো অশালীন ভাষা ব্যবহার করেননি।
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় বিএনপি চেয়ারম্যানের নাম একাধিকবার উচ্চারণ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক ভাষার সীমা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য ও আচরণ দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।





