গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা

সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা

স্টাফ রিপোর্টার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

গণমাধ্যমের ভূমিকা থাকবে নিরপেক্ষ। আমাদের আশা, গণমাধ্যম এই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা গণমাধ্যমের উপর রয়েছে। গণমাধ্যমের সমস্ত নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার জন্য আলাদা প্রেস ইনস্টিটিউট, সংস্থা ও বডি রয়েছে, যা সাংবাদিকদের অভিযোগ তদন্তসহ সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তবে সামাজিক দায়বদ্ধতা ব্যক্তির মন থেকে আসে। মিসইনফরমেশন বা ডিসইনফরমেশন দিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার দায়িত্ব সাংবাদিকদের পালন করতে হবে। বিএনপি ৩১ দফা প্রতিশ্রুতিতে দেশের গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। আমাদের ইশতেহারেও সেই কথা উল্লেখ রয়েছে।

গণমাধ্যমের জন্য আলাদা সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে একটি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় রিপোর্ট প্রদান করেছিল। সেই রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করা হবে।

যেখানে গণমাধ্যম স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে, সেই দেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। গণতান্ত্রিক কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রকে সত্যিকারভাবে শক্তিশালী করা যায়। রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের মাধ্যমে শহীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পৃথিবী এখন ডিজিটালাইজড। তথ্য মুহূর্তের মধ্যে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যায়। তাই আমাদেরকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে। স্বাধীন ও উন্মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। তবে সাংবাদিক সমাজ, গণমাধ্যমের মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সাংবাদিক বন্ধুগণ যেন মালিকের চাকরি না করে বিবেকের চাকরি করে। গণমাধ্যমের বন্ধুগণ যদি বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকে, তাহলেই দেশের গণমাধ্যম সত্যিকারভাবে স্বাধীন থাকবে।