স্টাফ রিপোর্টার | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নিউজ চ্যানেল বিডি
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কোনো ধরনের অনিয়ম, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার ঘটনা বরদাশত করা হবে না।
সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় কিছু অপরাধপ্রবণ ব্যক্তি থাকতে পারে। তবে কেউ যদি ব্রিগিং, ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা প্রদান কিংবা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, আটক করার পর যেন যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অপরাধ করে দ্রুত মুক্তি পেলে তা বাহিনীর প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে। বিমান বাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান এবং সেনাবাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশাল বাহিনী মোতায়েনের সমন্বয়ের জন্য একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জেলা, বিভাগ, থানা ও উপজেলা পর্যায়ে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসারসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সংখ্যালঘু ভোটারদের বিষয়ে সেনাপ্রধান বলেন, তারা ইতোমধ্যে নিরাপদ থাকলেও অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন। কোনো গুজব বা অপতথ্য যেন আতঙ্ক তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবার সজাগ থাকা দরকার। সব ভোটারই যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই সবার লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, সিভিল প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চমৎকার সমন্বয় রয়েছে, যা দেশের বড় শক্তি। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলা করা সম্ভব।
নির্বাচন কমিশন সাত দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করলেও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন বলেও তিনি জানান। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিয়ে জনগণের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান।





