গণতন্ত্র রক্ষায় আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে: সালাউদ্দিন আহমেদ

বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বিএনপি জনগণের শক্তির পক্ষে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন ও রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে শাহাদত বরণ পর্যন্ত অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আপসহীন ভূমিকা রেখে ১৯৯০ সালে দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি নিজের জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেছেন।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও কর্মসূচি জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন। তার মূল নীতি হলো—সবার আগে বাংলাদেশ, এ দেশের মানুষ, মাটি ও সার্বভৌমত্ব।

তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং জনগণের মালিকানা নিশ্চিত করার নির্বাচন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, ধর্ম যার যার ব্যক্তিগত বিশ্বাস হলেও রাজনীতিতে শুধুমাত্র ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা উচিত নয়। বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলমান সবাই সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করে এবং সবার সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সমান।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র বা অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান না ঘটে, সেজন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোই গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।

স্থানীয় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়, নদী ও সবুজ পরিবেশ অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। বিএনপি ক্ষমতায় এলে এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন ও পর্যটন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুযোগ দিলে এবং জনগণ সমর্থন দিলে বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেম, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।