স্টাফ রিপোর্টার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
গ্যাস সংকটকে এক নম্বর অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসরাক হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে গ্যাসের সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করেছে এবং যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই মানুষ এ বিষয়ে অভিযোগ করছেন। তাই এই সংকট সমাধানে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজধানীর মতো এই এলাকাতেও মাদকের সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এলাকার অবকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন ইসরাক হোসেন। তিনি বলেন, এটি একটি ঘিঞ্জি এলাকা, যেখানে রাস্তাঘাট অনেক সরু। ট্রাফিক ফ্লো ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে যানজট কিছুটা হলেও কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ ও পানিদূষণ রোধে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ঘনবসতির কারণে এখানে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাই ডিসেন্ট্রালাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, যা বাস্তবায়নে ২০ থেকে ২৫ বছর সময় লাগতে পারে। তবে এখন থেকেই ভিত্তি তৈরি করতে হবে।
ইসরাক হোসেন জানান, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করতে চান তিনি। পাঁচ বছরকে মধ্যমেয়াদি সময় ধরে পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি রচনা করা হবে।
“আমরা এমন একটি ফাউন্ডেশন গড়ে তুলতে চাই, যার ওপর দাঁড়িয়ে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান সম্ভব হবে।”





