স্টাফ রিপোর্টার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
গত ১৭ বছরে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়া গেছে। তাই এলাকাবাসী যথাযথভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তবে ঢাকা-৮ আসন নিয়ে তিনি ভিন্ন ধরনের সংশয় প্রকাশ করেন। তার দাবি, কিছু প্রার্থীর জয় নিশ্চিত বলে যে বক্তব্য শোনা যাচ্ছে, তা অস্বাভাবিক। যাদের জয়ের বাস্তব সম্ভাবনা নেই, তারা এত আত্মবিশ্বাসী কেন—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার ধারণা, এই আসনকে ঘিরে কোনো অপচক্র সক্রিয় থাকতে পারে।
মির্জা আব্বাস বলেন, ভোট কারচুপি দুইভাবে হতে পারে—একটি কেন্দ্রভিত্তিক, অন্যটি প্রশাসনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে। কেন্দ্রভিত্তিক কারচুপির উদাহরণ অতীতে দেখা গেছে। তবে এবার প্রশাসনিক পর্যায়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তার অভিযোগ, কিছু হোল্ডিংয়ে প্রকৃত ভোটারের চেয়ে অস্বাভাবিকভাবে বেশি ভোটার তালিকাভুক্ত রয়েছে। কোথাও ২০ জন ভোটারের স্থলে ১৫০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হোল্ডিং নম্বরের অস্তিত্বই নেই, তবুও সেখানে ভোটার তালিকা রয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট অসঙ্গতিগুলো চিহ্নিত করে অবৈধ ভোট বাতিলের দাবি জানান। পাশাপাশি অশালীন ও মানহানিকর বক্তব্যের বিষয়েও কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখেননি বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।





