স্টাফ রিপোর্টার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ নিউজ চ্যানেলবিডি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জনাব তারেক রহমান দীর্ঘদিন একটি স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের নিপীড়নের শিকার হয়ে নিজের মা ও ভাইকে ছেড়ে বিদেশে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। সেই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও তিনি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন এবং দলের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ কারণেই মানুষ তাকে ভালোবাসে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমান সবসময় এদেশের কল্যাণের কথা ভেবেছেন। নারী, শিশু ও তরুণদের জন্য তিনি একের পর এক নতুন কর্মসূচি দিয়েছেন। “সবার জন্য বাংলাদেশ” এই স্লোগান নিয়ে তিনি আগামী দিনের পথ দেখাচ্ছেন বলেই জনগণের মধ্যে তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কোনো পরিবার নেই যারা স্বাধীনতা, উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য জিয়া পরিবারের মতো অবদান রেখেছে। জিয়া পরিবারই একমাত্র পরিবার যারা ধারাবাহিকভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোন আসনে কে বিজয়ী হবেন তা নির্ধারণ করার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। তিনি ভোটারদের মাধ্যমেই সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন। অথচ যারা কখনো নির্বাচনে অংশ নেননি এবং যাদের দলের ঢাকায় কোনো আসনে বিজয়ের ইতিহাস নেই, তারাই অহংকার করে সব আসন জয়ের কথা বলছেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি ১৯৯১ সালে ঢাকা মহানগরীর সবগুলো আসনে বিজয়ী হয়েছিল। এমন রেকর্ড আর কোনো দলের নেই। এরপরও বিএনপি বা তার নেতৃত্ব কখনো দাবি করেনি যে তারা সব আসনই জিতে নেবে। ইসলামে অহংকার ও দম্ভ সবচেয়ে অপছন্দনীয় বিষয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্র এই দুনিয়ার সবচেয়ে জটিল ও মূল্যবান ব্যবস্থা। এটি কোনো শিক্ষানবিশের হাতে তুলে দেওয়া যায় না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। বর্তমানে বিএনপি ছাড়া আর কোনো দলের সেই অভিজ্ঞতা নেই। একটি বিধ্বস্ত অর্থনীতি ও দুর্নীতিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করতে হলে অভিজ্ঞ দলকেই দায়িত্ব দিতে হবে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর বিধ্বস্ত দেশকে তিনি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন, বন্ধ শিল্প চালু করেছিলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছিলেন এবং মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নয়ন ঘটিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সফল নেতৃত্বকেই হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।





