দীর্ঘ ১৫ বছর পর মানুষ ভোট দিতে পারবে, গণতন্ত্র ফিরে এসেছে: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

চট্টগ্রাম-১১ আসনে গণসংযোগকালে বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং টেকে না বলেও মন্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬নিউজ চ্যানেল বিডি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণ আজ উৎফুল্ল ও আনন্দিত। দীর্ঘ ১৫ বছর পর মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তাদের সরকার নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে এবং নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক থাকবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। জনগণ তাদের মালিকানা ফিরে পাচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে মানুষ নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারবে, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল ও কর্মস্থলে যেতে পারবে এবং নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারবে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার চরবস্তি, বিজয়নগর, ফুলছরি পাড়া, নিজাম মার্কেট ও দক্ষিণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ, নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

আমীর খসরু বলেন, বিগত সরকারের আমলে মানুষ চরম কষ্টের মধ্যে ছিল। দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নাগরিক নিরাপত্তা ছিল না। মানুষ আশা করছে নির্বাচিত সরকার আসলে আবার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হবে। এ কারণেই সবার মধ্যে উৎফুল্লতা দেখা যাচ্ছে।

পোস্টাল ভোট নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের ওপর আস্থা হারিয়ে ভিন্ন পথে গেলে দেশ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না। সবাইকে জনগণের কাছে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন করাই গণতন্ত্র। ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে লাভ হবে না।

তিনি বলেন, দিন শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং কখনো টেকে না। শেখ হাসিনা ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছিলেন, আজ তিনি কোথায় আছেন সেটাই প্রমাণ। মিথ্যা প্রচারণা ও ভোট কারচুপি করে কেউ এগিয়ে যেতে পারে না। জনগণ এসব মেনে নেবে না, প্রতিহত করবে।

আমীর খসরু আরও বলেন, যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় এবং যাদের মানুষের ওপর আস্থা নেই, তারা নানা ষড়যন্ত্র করবে। কিন্তু এসব করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা যাবে না। জনগণ ব্যালটের মাধ্যমেই এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ডা. নূরুল আফসার, মো. ইসমাইল, আব্দুস সাত্তার, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও সদস্য সচিব মো. আজমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।