স্টাফ রিপোর্টার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সৃষ্টি হওয়া ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে বলে জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। বিএনপির সঙ্গে জোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা গণমাধ্যমকে বলেন।
রাশেদ খান জানান, সরকারের উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে তারা বারবার নিশ্চিত করেছেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণঅধিকার পরিষদও একই বক্তব্যই জনগণকে দিয়েছে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ও ভারত নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছিল; কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ এবং ইসির ভূমিকার কারণে নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে।”
তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। আমি ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রান্ত তথ্যের বিষয়ে অবস্থান
রাশেদ খান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিএনপিতে যোগদানের যে গুজব ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো আলোচনা হয়নি।”
আসিফ মাহমুদের বিষয়
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিতে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান রাশেদ খান।
তিনি বলেন—
‘‘আসিফ মাহমুদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তিনি ভাবছেন।’’
‘‘তিনি গণঅধিকার পরিষদে আসতে পারেন, বিএনপিতে যেতে পারেন, নতুন দলও গঠন করতে পারেন—এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’’
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম-এর পদত্যাগ নিয়েও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “তারা পদত্যাগ করায় সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হয়েছে।”
বিএনপির সঙ্গে আসন-আলোচনা
২০২২ সাল থেকে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে একসাথে কাজ করলেও, গণঅধিকার পরিষদ কখনো আসন শর্ত আরোপ করেনি বলে জানান রাশেদ খান।
তিনি বলেন—
‘‘আমাদের লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনার পতন, ফ্যাসিবাদের পতন—এটাই সবচেয়ে বড় বিজয়।’’
জাতীয় সরকার গঠনের প্রশ্নে রাশেদ খান আশা প্রকাশ করে বলেন—
“আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত আসবে। কতটি আসন পাওয়া যাবে—এখনই বলা যাচ্ছে না।”
তিনি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।





