স্টাফ রিপোর্টার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬,নিউজ চ্যানেল বিডি
মির্জা আব্বাস বলেন, “এখন পর্যন্ত অত্যন্ত শান্ত এবং নীরব ভালো ভূমিকা পালন করছে। আমি আমার কর্মী ভাইদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাবো। আপনারা ধৈর্য ধারণ করবেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপির কর্মীরা সুশৃঙ্খল এবং চক্রান্তবাদী নয়। যারা চক্রান্ত করে, তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি কর্মী অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে পারে, তবে প্রমাণ করার সময় এখন নয়। নির্বাচনের পরে দেশকে শান্ত রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
মির্জা আব্বাস বলেন, “অনেকেই বলছেন নির্বাচনের পরে বিএনপিকে দেখে নিবে। আমরা নির্বাচনের আগে এবং পরে দেশকে শান্ত রাখতে চাই। দেশের মানুষকে শান্তি দিতে চাই, তাদের মুখে হাসি দেখতে চাই। কোনো ঝগড়া বা ফসাদ আমরা চাই না।”
তিনি সতর্ক করেন, “আজকে কিছু কিছু ছেলে কথা বলছে। তাদের মধ্যে কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন ৪০ বৎসর বয়সী আব্বাস খান সাহেবের চেয়ে বয়সে অনেক কম ছিলাম। আজ পর্যন্ত জামাত বা অন্য কোনো দলের কেউ বলতে পারবে না আমি তাদের বিরুদ্ধে খারাপ কথা বলেছি।”
মির্জা আব্বাস উল্লেখ করেন, “ওই সময়ের আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সুসম্পর্কপূর্ণ ছিল। আমরা একে অপরের সঙ্গে মিছিলে দেখা করেছি, মুখোমুখি দেখা হয়েছে, কোলাকুলি করেছি। নির্বাচন প্রতিযোগিতা হবে, তবে তা হবে উৎসবমুখর, ঝগড়ার উৎস নয়।”
তিনি নৈতিক শিক্ষার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “প্রিয় ভাইয়েরা, যারা কথা বলছে, তাদেরকে বলতে চাই—আপনারা শ্রদ্ধা করতে শিখুন। আমি শেখ সাদি’র একটি লাইন উদ্ধৃত করছি: ‘বে আদব বেনসিব বা আদব বাসিব’, অর্থাৎ বেয়াদবের কপাল খারাপ হয়, আর যিনি আদব শিখেছেন তার কপাল ভালো থাকে।”





