স্টাফ রিপোর্টার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
আমরা যুগ যুগ ধরে দেখেছি কমিটমেন্ট, অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ভঙ্গ। আমরা যখন জ্ঞান অর্জন করি এবং খবরের কাগজ পড়তে শুরু করি, তখনই ৭০-৭১ সালের উদাহরণ সামনে আসে—চার আনাসের চাল, ছয় আনাসের ডাল, তিন আনাসের আটা—যা বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ বিপরীত ফলাফল দেখা গেছে। জনগণ অনাহার, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য ভোগ করেছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “আমরা যা দেখেছি এবং চেয়ারম্যান সাহেব যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিভিন্ন মিটিং ও জনসভায়, তার মধ্যে কোন বাহুল্য নেই। যা সম্ভব, তার সর্বোচ্চ মানব কল্যাণের জন্য সহজেই করা যায়, তা ইশতেহারে প্রতিফলিত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ইশতেহারে বাহুল্য বা বড় বড় আশ্বাস থাকবে না। এখানে প্রকৃত অবস্থা প্রতিফলিত হবে, যা মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করবে। মানুষ বড় বড় কথা এবং অসঙ্গত আশ্বাসের ফুলঝুরি পছন্দ করে না।”
রিজভী মন্তব্য করেছেন, বর্তমান রাজনীতিতে দ্বিচারিতা লক্ষ্য করা যায়। ক্ষমতায় থাকা একটি দল ধাপে ধাপে শারিয়া আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলছে, আবার প্রচলিত আইনের কথা বলছে। তবে বিএনপির ইশতেহার সম্পদ, সংগতি ও সামাজিক কল্যাণের ওপর ভিত্তি করে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।





