স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ এপ্রিল ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শুধু আইন প্রণয়ন করে দেশে নির্যাতনের সংস্কৃতি বন্ধ করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, “আমাদের এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তবেই আমাদের ভালো আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে।” নির্যাতনের সংস্কৃতি নির্মূল করতে আইনের পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আজ সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নির্যাতন প্রতিরোধ এবং ইউএনসিএটি ও ওপিসিএটি বাস্তবায়ন বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের সংবিধান নিজেই নির্যাতনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সুরক্ষা প্রদান করে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে নির্যাতন বা নিষ্ঠুর, অমানবিক কিংবা অবমাননাকর আচরণের শিকার করা যাবে না। এই বিধান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত দুই মাসে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জোরপূর্বক গুমের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া আগস্ট-পরবর্তী ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকে হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, “আমরা দায়মুক্তির সংস্কৃতি চাই না। আমরা কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন চাই না। আমরা হেফাজতে মৃত্যু, জোরপূর্বক গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চাই না।”
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার এবং নির্যাতন, গুম ও অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে কাজ করা বৈশ্বিক জোট ওএমসিটি।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাইকেল মিলার, মাহমুদুর রহমান এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মঈনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার ড. অ্যালিস জিল এডওয়ার্ডস।





