স্টাফ রিপোর্টার,৩১ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে জনগণের প্রকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেনি, তবে এবারের নির্বাচনে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন।
তিনি দাবি করেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন ছিল ভোটারবিহীন, ২০১৮ সালের নির্বাচন ছিল নিশিরাতের এবং ৭ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল একতরফা। এসব নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন, আত্মত্যাগ ও গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ এবার স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের নতুন ভিত্তি রচিত হবে এবং ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলটির নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল হয়েছে এবং বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তার মতে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোই এখন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এবং সে বিবেচনায় নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা যায়।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো দলের আপত্তি থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে উত্থাপন করা যেতে পারে। এটিই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। বিএনপিও বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দলীয় পরিকল্পনা প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, জনগণের জন্য বাস্তবায়নযোগ্য কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ডের মতো উদ্যোগ। জনগণের রায় পেলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।





